প্রচারণা-procarona লিংকডইন মার্কেটিং এবং কানেকশন বাড়ানোর উপায়

কিভাবে লিংকডইন প্রোফাইলে কানেকশন বাড়ানো যায়?

লিংকডইন কি ?

লিংকডইন হচ্ছে ওয়ার্ল্ডজ লার্জেস্ট প্রফেশোনাল নেটওয়ার্ক এবং টোটাল ২০০টা দেশে অপারেশন চলতেছে, ৬০+ মিলিয়ন ইউজার এবং বাংলাদেশে আছে ৩.২ মিলিয়ন ইউজার।

তো আমরা কাদের জন্য কাজ করবো? আমরা কাজ করবো কোম্পানির জন্য, আমরা কাজ করবো নিজেদের বিজনেসের জন্য, অথবা সেটা হতে পারে নিজের প্রোফাইলটাকে ইনফ্লুয়েন্সার প্রোফাইলে কনভার্ট করার জন্য। তো এই টাইপের কাজ হয়।

একটু মনিটাইজেশনের প্যাটার্ন নিয়ে কথা বলে আসি। কোন কোন মডেল নিয়ে লিংকডইনে কাজ করা যায়? তো প্রথমেই মাথায় আসে ফ্রিল্যান্স। এটা নিয়ে পরে বিস্তারিত জানছি। তারপর আসে লিড। আমরা এখানে ডিরেক্টলি লিড না বলে বলতে পারি স্টার্টাপ কোম্পানি। স্টার্টাপার আপনি নিজে হতে পারেন অথবা ক্লায়েন্টসের জন্যও কাজ করতে পারেন অথবা ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও করতে পারেন। আপনি আপনার প্রোফাইলটাকে ১০,০০০-১৫,০০০ সাবস্ক্রাইবার অথবা ফলোয়ার বানায় ফেলছেন তারপর সেটা থেকে আপনি একটা আর্নিং সোর্স বের করতে পারেন।


কেন লিংকডইন ব্যবহার করবেন ?

আমাদের মেইন উদ্দেশ্যটা কি? মেইন উদ্দেশ্য আসলে প্রত্যেকটাই। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করা যায়? এটা নিয়ে কথা বলবো, স্টার্টাপ কতটা ইম্পেক্ট ফেলে সেটা নিয়েও কথা বলবো। আরো কথা বলবো ক্লায়েন্টের জন্য আমরা লিংকডইন কিভাবে সার্ভ করতে পারি এটা নিয়েও কথা বলবো। এর সাথে আরো বলবো ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে প্রোফাইল কিভাবে কাজে লাগাতে পারি?

এখন প্রথমেই চলে আসি, “become influencer”-এই কথাটা মনিটাইজেশনের ব্যাপারটা না, ব্যাপারটা হচ্ছে একতা লিংকডইন প্রোফাইল অপ্টিমাইজেশন প্রসিডিওর নিয়ে কথা বলবো। এখানে অনেকগুলো সেকশন আছে। কিন্তু এখানে আমি শুধু সেগমেন্টেড করছি, মনিটাইজেশনের সাথে আবার এটা এড করিয়েন না।

আমরা মোটামোটি সবাই এখন কম-বেশি লিংকডইন ইউজ করি। এটা একটা সোশ্যাল মিডিয়া, একটা প্রোফেশনাল নেটওয়ার্ক যেখানে নরমালি মানুষ আসতেসে, তাদের প্রোফাইল কমপ্লিট করতেসে। ফেসবুক যেমন অনেক পারসোনালাইড অনেক পারসোনাল ব্যাপার-ফ্রেন্ডস, ফ্যামেলি-এগুলো নিয়ে অ্যাকচুয়ালি গ্যাডার করে মানুষ কিন্তু লিংকডইন একেবারেই প্রোফেশনাল। এখানে চাইলেই কেউ সেলফি, পোস্ট দিচ্ছে না, চাইলেই কেউ মন কারাপের পোস্ট দিচ্ছে না। যেহেতু আমরা লিংকডইন নিয়ে কথা বলছি তো এখানে আমাদের মেইন উদ্দেশ্য হচ্ছে “understand your target audience”-যেটা হচ্ছে প্রথম কথা। কেন আমার টার্গেট অডিয়েন্সকে বুঝতে হবে? আমি কোন ওয়ার্ল্ডে অথবা কোন ট্র্যাকে কাজ করি অথবা কোন ফিন্ডে কাজ করতে হয়? আমি যেমন ডিজিটাল মার্কেটার, আমি যেমন মার্কেটিং-এ কাজ করি, গ্রোথ হ্যাকিং নিয়ে কাজ করি, তো আমার টার্গেটটা হচ্ছে আমার সাথে যারা কানেক্টেড থাকবে,আমার কানেক্টড পিপল যারা আছে, ডেফিনিটলি তারা আমাকে ফলো করুক, আমি তাদেরকে ফলো করবো। আমার পোস্টে তারা কমেন্ট করুক, আমি তাদেরকে পোস্টে কমেন্ট করবো এবং ভাইসভারসা। অন্যান্য যারা এক্টভিটিজ আছে সেগুলো আমরা মিউচুয়্যালি করতে থাকবো।

ডেটা কিভালেক্ট করবেন কিভাবে ?

এখন ধরেন আমি ডিজিটাল মার্কেটার কিন্তু আমাকে অন্য ট্র্যাকের কেউ একজন ফলো করে রাখছে অথবা সে আমার কানেকশনে আছে। আমি যতো টাইপের এক্টিভিটিজ চালাই সে এগুলো নিয়ে কোনো রকমের রেস্পন্স করবে না এবং একই সময়ে আমি যদি তার ইনফরমেশনটা কালেক্ট করতে চাই আমার ক্লায়েন্টের জন্য ডেফিনিটলি সেটা আমার জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসবে না। কারন ধরেন আমার ক্লায়েন্টের জন্য আমি আমার প্রোফাইল দিয়ে কাজ করবো, এখন আমার ক্লায়েন্ট কোনো রেস্টুরেন্ট নিয়ে কাজ করে, আর আমি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করি। এখন আমি আমার প্রোফাইল দিয়ে যদি কাজ করি তাহলে আমার মিউচুয়্যাল যারা আছে তাদের ই-মেইল এড্রেস অথবা ফোন নাম্বার কালেক্ট করে দিই ক্লায়েন্টকে তাহলে সেটা তার কোনো কাজে লাগবে না। আমার ক্লায়েন্ট যদি হয় অন্য কোনো দেশের, অন্য কোনো স্টেট অথবা আমার রিজিওনের মধ্যেই নাই। তো ডেফিনিটলি মেইন কথাই হচ্ছে আমি যে আমার প্রোফাইলটা তৈরি করবো, সেটা তৈরি করার আগে আমার টার্গেট অডিয়েন্স বাড়ার যে বিষয়টা আগে আমাকে ডিফাইন করতে হবে। 

 তারপর হচ্ছে ক্লিনিং প্রোফাইল। আমি আমার প্রোফাইলে যদি যাই এখানে আমার বেশ অনেকগুলো ফলোয়ার আছে মানে আমার সাথে যারা কানেকশনে আছে। এখন এখান থেকে আমরা দেখবো যে কোন ব্যক্তিরা আমার সাথে কোনো ভাবেই কানেক্ট থাকে না। তারা আমার পোস্টে কোনো কমেন্ট করে না, কোনো একটিভিটিজের সাথে রিলেটেড না। তো ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরকে আমরা আমাদের লিস্ট থেকে ক্লিন করবো। এছাড়া আমরা ঐ সমস্ত ব্যক্তিদেরকে ক্লিন করতে চাই যারা আমার প্রোফাইল রিলিভেন্সি মেইন্টেইন করছে না। কিন্তু তারা কোনো না কোনো ভাবে কানেক্টেড, হয়তো কোনোভাবে তাদেরকে আমি কানেক্ট করে ফেলছি। তারা কোনো মার্কেটং ওয়ার্ল্ডে নেই, কোনো বিজনেস ওয়ার্ল্ডে নেই অথবা টেক ওয়ার্ল্ডে নেই কিন্তু তারা বিজনেসম্যান। তো হতে পারে আমি তাদেরকে রাখব না সেটা অন্য বিষয়।

 

 প্রাফাইল অপ্টিমাইজেশন 

তারপর “optimize your profile”-প্রোফাইলটাকে অপ্টিমাইজ করতে হবে। অপ্টিমাইজেশন প্রসিডিয়র নিয়ে আমরা একটু  পরে কথা বলবো।

তারপর আসি “connect with your target group”-আমার যারা টার্গেট গ্রুপ আছে তাদের সাথে আমার কানেকশনে আসতে হবে এবং ডেফিনিটলি এটা একটা ইম্পর্টেন্ড পার্ট এবং সেটা হচ্ছে কন্টেন্ট। অলরেডি আমরা সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে অনেক কথা বলছি, তো খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারি যে, ওয়েবের মেইন যে জায়গাটা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে সেটা হচ্ছে কন্টেন্ট। কি টাইপের কন্টেন্ট আমরা দিবো সেটা নিয়ে আমরা কথা বলবো। তো প্রথমেই চলে আসি “connect with your target group”-আমার প্রোফাইল আমি অলরেডি বলে ফেলছি, আমি ডিজিটাল মার্কেটং-এ কাজ করি, আমাকে যারা ফলো করবে, তারা যেন ডিজিটাল মার্কেটিং-এর হয় সেটা আমার খেয়াল রাখতে হবে অথবা আমাকে আমার মাথায় রাখতে হবে।

এখন যাই my networks-এ, এখানে আমার টোটাল কানেকশন দেখাচ্ছে। আমি কতজনকে এড করছি, জিমেইল দিয়ে কতজনকে এড করছি, সেই ব্যাপারগুলো এখানে চলে আসছে। এরা কতটা আমার সাথে রিলিভেন্সি এটা বোঝার জন্য filter-অপশনটা ইউজ করতে পারি। এখন আমরা যদি যাই all filter-এ, এখানে ফার্স্ট পারসন হিসেবেই আছে। এখন যদি title-এ আসি এখানে আছে ডিজিটাল মার্কেটার। অনেকে ডিজিটাল মার্কেটার লেখে, অনেকে ডিজিটাল মার্কেটং লেখে। আমি এটাকে একটু ব্রডিং করলাম। তো আমার সব ফলোয়ারের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটার। এর থেকেই বোঝা যায় যে, তারা সবাই ক্লোজলি রিলেটেড অথবা আমার ওয়ার্ল্ডের না। এর বাইরেও আছে।

কিভাবে লিংকডইন এ কিওয়ার্ড রাংক করবেন 

আমরা যদি কি-ওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিতে হবে কারন কেউ লিখছে মার্কেটিং, আবার কেউ লিখছে মার্কেটার। কেউ সোশ্যাল লিখছে, কেউ লিখছে লিড জেনারেশন। এখানে একটা ডিফারেন্ট টাইপের টার্ম থাকে। আমি শুধু দেখতেসি আমার যারা পিপল আছে, তারা কি আমার ওয়ার্ল্ডের কিনা, তারা আমার ট্র্যাকের কিনা, সেটা আমি এখান থেকে ট্র্যাক করতেসি।

 

তারপর “cleanup your profile”-এর মানে “remove unwanted inactive and irrelevant profile”-তো এটার জন্য my networks-এ আসবো। তারপর এখান থেকে দেখা যাবে আমাকে অনেক মানুষ এখান থেকে রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছে। তারপর আমার সাথে যারা ডিরেক্টলি কানেক্টেড তাদের মধ্যে ঐ সমস্ত প্রোফাইল যাদের ইন-কমপ্লিড প্রোফাইল, যাদের এখনো পিকচার আপ্লোড করা হয়নি অথবা এখানে পারসোনাল প্রোফাইল না করে কোম্পানির প্রোফাইল এড করে ফেলছি, তারপর যাদের সাথে আমার কোনো ভাবেই মিলে যাচ্ছে না, তাদেরকে আমি ডিস্কানেক্ট করে দিবো।

এখন “optimize your profile”-নিয়ে কথা বলবো। এটা বলতে আসলে কি বোঝায়? অপ্টিমাইজেশন বলতে বোঝাচ্ছে যে, আমার প্রোফাইলটা কি-ওয়ার্ড ফোকাস, এটা আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে। তো আমি যদি আমার এখান থেকে প্রোফাইলে যাই, কোন কোন জিনিসগুলো আমি মাথায় রাখবো একটা প্রোফাইলকে  অপ্টিমাইজেশন করার জন্য? প্রথম কথা হচ্ছে, প্রোফাইল পিকচার, টাইটেল। এখানে টাইটেল বলতে এটাই বোঝায় আমরা এখানে এটাকে এডিট করতে পারি। এখন আমি আমার কোম্পানিকে ফোকাস না করে হয়তো আমি আমার পারসোনাল যে সত্ত্বা আছে, সেতাকে আমি ফোকাস করবো। তো আমি হেডলাইনে দিলাম যে ডিজিটাল মার্কেটিং, প্রোফেশনাল অথবা স্ট্র্যাটিজিস অথবা আমি যে রকম লেখি। আমি ডাটা নিয়ে অনেক কাজ করি। তো এগুলো আমার প্রোফাইলের সাথে যাচ্ছে। এখানে যতগুলো ইনফরমেশন ইনপুট দেয়া যায়, সবগুলো ইনফরমেশনই আমরা এখানে সেটআপ দিয়ে দিছি। তো এখানে একটা কভার, এখানে একটা প্রোফাইল, তারপর যতগুলো ইনফরমেশন এখানে এড করা পসিবল সেগুলো আমরা এখানে এড করে দিছি।

“Keyword focus definitely”-এখানে কি-ওয়ার্ডগুলো পেস্ট করলাম, এগুলো বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন এডুকেশন, কান্ট্রি- যা থেকে পুরা কম্পলিট প্রোফাইল বানানো যায়।

 

প্রচারণা-procarona লিংকডইন মার্কেটিং এবং কানেকশন বাড়ানোর উপায়

লিংকডইন প্রোফাইল কিভাবে সাজাবেন 

 

“Contact inform”-যতগুলো ইনফরমেশন আমাদের এখানে আছে, সেগুলো এড করবো। তো আমার অলরেডি ওয়েবসাইট আছে, এখন আমি সেটা এড করে দিচ্ছি। ওয়েবসাইটটা পারসোনাল কিছু কিনা, এছাড়াও কোম্পানি ওয়েবসাইটটাও আমি এখানে এড করতে পারি। এখানে আমি ফোন নাম্বার, এড্রেস কিছুই দিচ্ছি না কারন এটার এখানে কোনো দরকার নেই। তো যতটা সেকশন এড করা যায়, ততটাই ভালো। আর হ্যা কাস্টোম ইউজারে আপনার নামটাই হওয়া উচিত। অনেকে হয়তো এখানে অন্য কিছু এড করে। আপনাদের প্রোফাইলে যে ইউআরএলটা আছে সেখানে ক্লিন করবেন। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনো ইনফরমেশন যেন এখান থেকে মিস না হয়।

 

এরপর আসবে about-এখানে মেইন কি-ওয়ার্ড, এবং এটা আমি কোথায় কোথায় প্লেস করবো সেটা দেখতে হবে। তো যতটা পসিবল, আমার মেইন কি-ওয়ার্ডটাকে আমি সার্কুলেট করবো। এটা এইজন্যই দরকার কারন যখন সার্চ করে ডিজিটাল মার্কেট দিয়ে তখন সেটা যেন উপরে চলে আসে, সেটা আগে কনফার্ম করতে হবে। অপ্টিমাইজেশন মানেই হচ্ছে ওয়েবে যে এসইওর টার্মটা এতাই চলে আসে। তো এখানে এসইও মানে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টি্মাইজেশন করতেসে, আর এটা সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে অপ্টিমাইজেশন করতেছে। এটা যত বড় লেখা যায় তত ভালো। রিলিভেন্ট যত টাইপের ইমেজ আছে, যেটা আপনার সাথে যাচ্ছে না, পারসোনাল ইমেজ, আপনার এক্টিভিটিজগুলো অবশ্যই এড করেন এখানে। এছাড়া রিসেন্ট যে পোস্টগুলো আছে, পোস্টগুলো এখানে শো করতেসে। রেগুলার বেসিসে পোস্ট করতে হবে। এখানে আর্টিক্যাল, ভিউ সব চলে আসবে।

 

অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট একটা প্রোফাইলকে এক্টিভ রাখা। এছাড়া কমপ্লিট প্রোফাইল বলতে যা বুঝি, আপনার যত লেভেলের এক্সপিরিয়েন্স আছে, ১ মাস কাজ করেন তাও সেটা এড করেন। যতটা ডিটেইলিং করা যায় আরকি, যতটা পারা যায় ইনক্লুড করা। একটা কথা যেটা সবসময় মাথায় রাখবেন, ঐ যে মেইন কি-ওয়ার্ডটা, সেটা যেন প্রত্যেকটা জবে ইমপ্লিম্যান্ট হয়, মানে জবের মধ্যে যেন ডিস্ক্রিপ্টলি ওয়েতে থাকে। আপনার যতগুলো সার্টিফিকেশন আছে, সেগুলো ইনক্লুড করা খুব জরুরী। এটা আপনার প্রোফাইলের রিচ বাড়াবে, প্রোফাইলের ডিটেইলিং করবে, অনেক বেশি কি-ওয়ার্ড প্লেস করবে এবং অপ্টিমাইজেশনে হেল্প করবে। এছাড়াও যদি কোনো ভলেন্টিয়ার এক্সপিরিয়েন্স থাকে সেটা এড করেন। আর যদি পসিবল হয় তাহলে অবশ্যই স্কিলগুলো এড করবেন। রেকোমেন্ডেশন একটা ইম্পর্টেন্ট ফেক্টর। এটা আপনার প্রোফাইলের ক্রেডিবিলিটি বাড়াবে, ট্রাস্টের জায়গাটা বাড়ায়। কারন আপনি যখন আপানার অফিস বস থেকে অথবা আপনার ইউনিভার্সিটির টিচার থেকে অথবা আপনার ইন্ডাস্ট্রি লিডারের কাছ থেকে এপ্রিসেশন পাচ্ছেন, মানে যে রিকোমেন্ডেশন পাচ্ছেন এটা লিংকডইন প্রোফাইলে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারপর একোমপ্লিসম্যান্ট, পাব্লিকেশন, প্রজেক্ট ওয়ার্ক, ল্যাঙ্গুয়েজ, কোর্স, টেস্টস- যত বেশি ডিটেইলিং করা যায় আর কি।

 

এখন আপনাদের এতো ইনফরমেশন নাও থাকতে পারে, আবার বেশিও থাকতে পারে, আবার কিছু সেকশন হয়তো বা আপনি ডিটেইলিং করেন, হয়তো আপনার এক্সপিরিয়েন্স কম হতে পারে, আবার বেশিও হতে পারে। যাদের নাই তারা ডিটেইলিংটা অনে ডেসক্রেভটিভ করেন,কারন কি-ওয়ার্ডটা থাকতে হবেই।

 লিংকডইন  কানেকশন টাইপ 

 

এখন আমি যদি হোম্পেজে যাই, এখানে লাস্ট ৯০ দিনে কতগুলো পিপল ভিসিট করেছে সেটা দেখা যাবে। কিন্তু এটা আবার ফ্রি প্রোফাইলে শো করে না। ফ্রি অ্যাকাউন্টে নরমালি ৫জন দেখা যায় আর পরেরগুলো ব্লার হয়ে থাকে। কিন্তু পেইড প্রোফাইলে এই ঝামেলাটা আবার হয়না।

 

এছাড়াও কিছু হ্যাস্ট্যাগের অপশন থাকে, যেগুলো সামনে গিয়ে হেল্প করবে।

 

এখন “connect with your target group”-কিভাবে করবো? প্রথম কথা হচ্ছে আমি কি টাইপের পিপলের সাথে কানেকশনে যেতে চাই? আগে বলি যে কানেকশন টাওয়ার কি? যেটাকে আমরা ফেসবুকে ফ্রেন্ডলিস্ট বলি, সেটাকে এখানে কানেকশন বলে। এখানে ৩ টাইপের কানেকশন আছে। ফার্স্ট কানেকশন, সেকেন্ড কানেকশন, থার্ড কানেকশন।

 

ফার্স্ট কানেকশন হচ্ছে আপনার সাথে আমার যে কানেকশনটা মানে আমাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন আমি এক্সেপ্ট করেছি, আমি আপনাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছি আপনি এক্সেপ্ট করেছেন-এই ২জনের মধ্যে যে রিলেশনশিপ সেটাই হচ্ছে ফার্স্ট কানেকশন।

 

সেকেন্ড কানেকশন হচ্ছে মিউচুয়্যাল ফ্রেন্ড ফেসবুকের মতো। আপনার ফ্রেন্ড যারা আছে কিন্তু আমার ফ্রেন্ড না সেটা হচ্ছে সেকেন্ড কানেকশন।

 

আর থার্ড কানেকশন বলতে বুঝি, আমার সাথে কানেকটেড কিন্তু আপনার সাথে না কিন্তু এর বাইরের ব্যক্তিদেরকে আমি দেখতে চাই।

 

লিংকডইন আপনাকে সার্চ লিমিট করে দিবে। তো যারা বিজিনেস রিলেটেড কাজ করে তাদের অবশ্যই পেইড প্রোফাইল থাকতে হবে।


ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে পড়ুন 

Leave a Comment

Your email address will not be published.