লোকাল এসইও কি? কেন প্রয়োজনীয়?

যখন কোনো ব্যক্তি নরমালি সার্চ করতেসে যেমন ধরেন “coffee shop near me, lawyer near me, doctors near me”-এখানে যে “near me”-টার্মটা, এটা কিন্তু একটা লোকালাইজ টার্ম। আর একটা কথা জেনে নেওয়া উচিত সেটা হচ্ছে লোকাল বিজনেস মূলত ২টা। একটা হচ্ছে সার্ভিস আর একটা স্টোরবেস বিজনেস।

সার্ভিস কেমন-ধরেন, ইলেক্ট্রিশিয়ান অথবা প্লাবিং-এটা কিন্তু একটা সার্ভিস। তো তাদের ওয়েবসাইট থাকতে পারে, তারা সেটাকে র‌্যাঙ্ক করবে। এখন আপনার বাসার পাইপ অথবা কল নষ্ট হইসে আর আপনি চাচ্ছেন ইমার্জেন্সি আপনাকে কেউ সার্ভিস দিয়ে যাক। আপনি গুগলে সার্চ করছেন এবং সে এসে আপনাকে সার্ভিস দিয়ে যাবে-এটাই হচ্ছে সার্ভিস বেস বিজনেস।

তো লোকাল এসইও-তে ২টা পার্ট। একটা হচ্ছে সার্ভিস আর একটা হচ্ছে আউটলেট বিজনেস। তো যে কি-ওয়ার্ডগুলো থাকে, ঐ কি-ওয়ার্ডগুলো ঐভাবেই রিসার্চ করবো। এখানে হয়তো ঐ টাইপের কি-ওয়ার্ডগুলো আসবে, যেগুলো লোকাল ফিল দিবে।

লোকাল এসইও মানেই যতটা লোকালাইজ করা যায়। যেমন আপনি যদি বলেন যে, পুরো ঢাকা একটা বড় এরিয়া, এবং ঢাকাতে সার্ভিসটা দিচ্ছেন না, একটা সিলেক্টিভ এরিয়াতে সার্ভিসটা দিচ্ছেন, তাহলে কি হবে? তাহলে ডেফিলিটলি আপনি যদি উত্তরাতে সার্ভিসটা দেন, তখন উত্তরার জন্য কি-ওয়ার্ড সার্চ করতে হবে।

এখন কথা বলবো, কেনই বা আমাদের এসইও প্রয়োজন?

কথা হচ্ছে, আমি তো নরমাল এসইও ইম্পলিম্যান্ট করতে পারি। হ্যা, ডেফিনিটলি সেটা আমরা করতে পারি। কিন্তু, কিছু স্পেসিফিক এরিয়া থাকে, আর যদি সেগুলো আপনি না করেন, তখন গুগল আপনাকে র‌্যাঙ্ক দিবে না। আপনি ইউজার পাবেন না, আপনার ভিসিবিলিটি বাড়বে না।

আপনার সেলস নাই? তাই না। কিছু র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর আছে। নরমালি একটা বিজনেসের ২টা স্টোর থাকে, একটা ফিজিকাল আর একটা ডিজিটাল। তার মানে ফিজিকাল স্টোরটা হচ্ছে যে, সে যেখানে কাজ করে, আর সেটা সার্ভিস স্টোর হোক আর সেটা প্রোডাক্ট স্টোর হোক-সেটা নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা না। কিন্তু ডেফিনিটলি তো একটা ফিজিকাল স্টোর আছে।

আর একটা হচ্ছে ডিজিটাল স্টোর, মানে হচ্ছে তার গুগল ম্যাপ, তার ফেসবুক পেইজ, তার ওয়েবসাইট।

এবং এর কিছু সুবিধাও আছে যেমন-

  • আপনার যদি একটা ফিজিকাল স্টোর থাকে, তাহলে বেশি বেশি ট্রাফিক ড্রাইভ করানো মেইন উদ্দেশ্য। কিন্তু যদি সার্ভিস বিজনেস হয়, তাহলে এটা আবার ইম্পলিম্যান্ট হবে না। যদি ডিজিটাল স্টোর থাকে তাহলে সেটা ডিরেক্ট অর্ডার করে।
  • ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে যায়। তার মানে যাদের ওয়েবসাইট থাকে না, তারা ফেসবুক পেইজ অথবা গগুল ম্যাপসের মাধ্যমে সার্ভিস দেয়। আর যদি ম্যাপ না থাকে তাহলে ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে লোকাল এসইও প্যাটার্ন চালান।
  • আমাদের মেইন উদ্দেশ্য হচ্ছে লিড বাড়ানো। সেটা হতে পারে ফোন কল, সেটা হতে পারে বুকিং, সেটা হতে পারে অনলাইন সেলস। কিন্তু সেটা লোকাল এসইও করার মাধ্যমে আমরা লিডস কালেক্ট করতে পারি।
  • কোনো একটা ব্রান্ড কিন্তু সহজে তৈরি হয়না। যদি কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে তাহলে সেই ব্রান্ড আস্তে আস্তে তৈরি হয়। একটা ব্রান্ড অনলাইনে ভালো হতে পারে, কিন্তু সেটা ফিজিকালি কোনো স্টোর নাই, যার ফলে মানুষ কিন্তু ফিয়ে প্রোডাক্ট দেখতে পারতেসে না। আপনার ট্রাস্ট তৈরি করার জন্য এটাও কিন্তু একটা ফ্যাক্ট। ফিজিকাল স্টোর না থাকলেও একটা ওয়েবসাইট থাকাটা দরকার। গুগল ম্যাপসের মাধ্যমে লোকাল এসইও ইম্পলিম্যান্ট করা যায়, অন্যান্য থার্ড পার্টি প্ল্যাটফর্মে লোকাল এসইও ইম্পলিম্যান্ট করা পসিবল। কিন্তু আমরা ট্রাস্টের জায়গাটা তৈরি করতে পারে না। যদি ওয়েবসাইট থাকেও তাহলে আমরা লোকাল এসইও-এর মাধ্যমে বিল্ড ট্রাস্ট করতে পারি। আমরা অ্যাঙ্গেজম্যান্ট তৈরি করতে পারি, লোয়ালটি তৈরি করতে পারি।
  • ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রি টোটাল ডিফারেন্ট একটা এরিয়া। ওখানে লোকাল এসইও এর ইন্টেন্ট ও ডিফারেন্ট।

Leave a Comment

Your email address will not be published.